রেজিস্ট্রেশন গাইড: ধাপে ধাপে

Krikya রেজিস্ট্রেশন — অ্যাকাউন্ট খুলে ওয়েলকাম বোনাস নিন

সম্পাদকীয় দল · সর্বশেষ আপডেট: জুলাই ২০২৬

Krikya তে অ্যাকাউন্ট খোলা শুনতে যেমন সহজ, বাস্তবেও তেমনই। দুই-তিন মিনিটেই কাজ শেষ, লাগে শুধু একটা সচল মোবাইল নম্বর আর একটা পাসওয়ার্ড যেটা আপনি মনে রাখতে পারবেন। তবু প্রতিদিন নতুন খেলোয়াড়েরা ছোট ছোট ভুলে আটকে যান। কেউ ভুল দেশ বেছে ফেলেন, কেউ OTP আসার আগেই পাতা রিফ্রেশ করে বসেন, আবার কেউ প্রোমো কোডের ঘরটা খেয়ালই করেন না বলে প্রথম বোনাসটা হাতছাড়া হয়ে যায়।

তাই পুরো প্রক্রিয়াটা এখানে ৬টি ধাপে ভেঙে দেখানো হলো, ঠিক যে ক্রমে জিনিসগুলো স্ক্রিনে আসবে সেই ক্রমেই। সঙ্গে থাকছে অ্যাপ থেকে রেজিস্ট্রেশনের উপায়, অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রথম ডিপোজিট ও বোনাস দাবির নিয়ম, আর যেসব জায়গায় লোকে সবচেয়ে বেশি আটকায় তার সমাধান। শুরুর আগে চাইলে সরাসরি Krikya ওয়েবসাইট থেকে শুরু করুন — ফর্মটা এক পাশে খোলা রেখে এই গাইড পাশে নিয়ে ধাপে ধাপে মিলিয়ে এগোনোই সবচেয়ে সহজ।

রেজিস্ট্রেশনের আগে যা জানা দরকার

হাতের কাছে কয়েকটা জিনিস আগে থেকে রাখলে অ্যাকাউন্ট খোলা এক টানে শেষ হয়। সবার আগে মোবাইল নম্বর — OTP আসবে ওখানেই, তাই নম্বরটা এই মুহূর্তে আপনার কাছে থাকা ফোনেরই হওয়া চাই। ইমেইল দিয়েও রেজিস্ট্রেশন করা যায়, কিন্তু বাংলাদেশে ফোন নম্বরই সবচেয়ে দ্রুত পথ।

বয়সের প্রসঙ্গটাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। Krikya একটি ১৮+ প্ল্যাটফর্ম, রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার বয়স আঠারো বা তার বেশি। এটা নিছক একটা চেকবক্স নয় — পরে ভেরিফিকেশনের সময় বয়স আর পরিচয় দুটোই মিলিয়ে দেখা হয়।

ভবিষ্যতের কথা ভেবে পরিচয়পত্রটাও প্রস্তুত রাখা ভালো। রেজিস্ট্রেশনের মুহূর্তে কোনো ডকুমেন্ট লাগে না, কিন্তু প্রথমবার টাকা তোলার আগে KYC ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক। তখন Bangladesh NID, পাসপোর্ট বা ড্রাইভিং লাইসেন্স — যেকোনো একটি লাগবে। ছবিটা এখনই তুলে রাখলে পরে তাড়াহুড়ো করতে হয় না। পুরো যাচাই প্রক্রিয়াটা কেমন, তা বুঝতে চাইলে আলাদা করে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বুঝুন

ছোট অথচ জরুরি আরেকটা ব্যাপার হলো স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ। OTP আসার মুহূর্তে নেট কেটে গেলে পুরো ধাপটা আবার শুরু করতে হতে পারে। আর প্রতিবার নিশ্চিত হয়ে নিন আপনি অফিশিয়াল Krikya সাইটেই আছেন, নকল কোনো মিরর সাইটে নয় — নাম মিলিয়ে দেখলে পরে অ্যাকাউন্ট বা টাকা নিয়ে ঝুঁকিতে পড়তে হয় না।

কোনটা এখন লাগবে আর কোনটা পরে, নিচের চেকলিস্টটা এক নজরে সেটা বলে দেবে।

রেজিস্ট্রেশনের জন্য যা প্রয়োজন

উপকরণ কখন লাগবে বাধ্যতামূলক?
সচল মোবাইল নম্বর রেজিস্ট্রেশনের সময় (OTP এই নম্বরে আসে) হ্যাঁ
ইমেইল ঠিকানা ফোনের বিকল্প হিসেবে বা অতিরিক্ত নিরাপত্তায় ঐচ্ছিক
ইউজারনেম (৬-১৩ অক্ষর) লগইন তৈরির ধাপে হ্যাঁ
পাসওয়ার্ড লগইন তৈরির ধাপে হ্যাঁ
প্রোমো কোড KRIKYA BD রেজিস্ট্রেশন ফর্মে (বোনাসের জন্য) ঐচ্ছিক
Bangladesh NID / পাসপোর্ট / ড্রাইভিং লাইসেন্স পরে — প্রথম উইথড্রয়ের আগে KYC-তে পরে হ্যাঁ
ঠিকানা প্রমাণ ও সেলফি কখনও কখনও KYC-র অতিরিক্ত ধাপে মাঝেমধ্যে

সোজা কথায় রেজিস্ট্রেশনের জন্য ফোন নম্বর, একটা ইউজারনেম আর পাসওয়ার্ড থাকলেই হলো। NID বা পাসপোর্ট এই ধাপে জমা দিতে হবে না, ওটা পরের গল্প।

৬ ধাপে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

পুরো ফর্মটা একটাই পাতায়, লম্বা কিছু নয়। তবু ধাপগুলো আলাদা করে দেখালে বোঝা সহজ হয়, কারণ প্রতিটা ঘরের একটা নির্দিষ্ট কাজ আছে। ওয়েবসাইটের ডানদিকে উপরে থাকা Register বোতামে ক্লিক করলেই ফর্মটা খুলে যাবে, আর সেখান থেকেই ছয় ধাপের যাত্রা শুরু।

লগইন ও পাসওয়ার্ড সেট করা

প্রথম ঘরে বসবে আপনার ইউজারনেম। Krikya-তে ইউজারনেম হতে হয় ৬ থেকে ১৩ অক্ষরের মধ্যে — খুব ছোট বা খুব বড় নাম গ্রহণ করা হয় না। ইংরেজি অক্ষর আর সংখ্যা মিশিয়ে এমন একটা নাম বেছে নিন যেটা মনে রাখা সহজ, অথচ আন্দাজ করা কঠিন। এই নামটাই পরে প্রতিবার লগইনে লাগবে, তাই খেয়াল করে বসান।

পাসওয়ার্ডের বেলায় একটু সময় দেওয়া ভালো। বড় হাতের আর ছোট হাতের অক্ষর, একটা সংখ্যা আর একটা বিশেষ চিহ্ন মিশিয়ে দিলে অ্যাকাউন্টটা অনেক বেশি সুরক্ষিত থাকে। জন্মসাল কিংবা ধারাবাহিক সংখ্যা যেমন ১২৩৪৫৬ — এসব এড়িয়ে চলুন, এগুলোই সবার আগে ধরা পড়ে। পাসওয়ার্ডটা কোথাও নিরাপদে টুকে রাখুন; টাকা যেখানে জড়িত, সেখানে “পরে মনে পড়বে” ভরসা করা ঝুঁকির।

মুদ্রা ও দেশ নির্বাচন

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপে দেশ আর মুদ্রা বেছে নিতে হয়। বাংলাদেশি খেলোয়াড় হিসেবে দেশ Bangladesh এবং মুদ্রা BDT নির্বাচন করুন। এই জায়গায় ভুল করলে পরে ঝামেলা হয় — যেমন ভুল মুদ্রা বেছে ফেললে bKash বা Nagad দিয়ে টাকা জমার সময় রূপান্তর নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

BDT বেছে নেওয়ার আরেকটা বড় সুবিধা — তখন সব লেনদেন সরাসরি টাকায় দেখাবে। ডিপোজিট, বোনাস, উইথড্রয়ের অঙ্ক ৳-এ থাকায় হিসাব রাখা সহজ, স্থানীয় পেমেন্ট মাধ্যমগুলোও নির্বিঘ্নে কাজ করে। অ্যাকাউন্ট একবার খোলা হয়ে গেলে মুদ্রা বদলানো সাধারণত ঝক্কির, তাই এই ধাপেই ঠিকঠাক বেছে নিন।

ফোন/ইমেইল ও OTP ভেরিফিকেশন

এবার যাচাইয়ের পালা। মোবাইল নম্বর (অথবা ইমেইল) বসানোর পর Krikya সেই নম্বরে একটা OTP পাঠাবে — ছোট একটা সংখ্যার কোড, যা কয়েক মিনিটের মধ্যেই SMS হিসেবে আসে। কোডটা নির্দিষ্ট ঘরে বসিয়ে দিলেই নম্বরটা যাচাই হয়ে যায়।

এই ধাপেই সবচেয়ে বেশি লোক আটকায়, তাই একটু ধৈর্য রাখুন। কোড আসতে কখনও কখনও ৩০-৬০ সেকেন্ড লাগতে পারে, বিশেষ করে নেটওয়ার্ক ব্যস্ত থাকলে। কোড আসার আগে পাতা রিফ্রেশ করবেন না — তাতে অনেক সময় সেশন নতুন করে শুরু হয়ে যায়। কোড ঠিকঠাক বসলে ওই নম্বরটাই আপনার অ্যাকাউন্টের মূল যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে দাঁড়াবে, ভবিষ্যতের লগইন আর নিরাপত্তা বার্তা সব ওখানেই যাবে।

প্রোমো কোড যোগ করা

ফর্মে প্রোমো কোডের জন্য ছোট একটা ঘর থাকে, আর এখানেই বেশিরভাগ নতুন খেলোয়াড় সুযোগটা মিস করেন। এই ঘরে KRIKYA BD কোডটি বসিয়ে দিলে আপনার অ্যাকাউন্ট ওয়েলকাম অফারের জন্য যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়। কোডটি বসানো ঐচ্ছিক — এটা ছাড়াও রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হবে — কিন্তু বোনাসটা পেতে চাইলে ঘরটা খালি রাখবেন না।

কোড বসানোর পর ফর্মের নিচে থাকা T&C ও ১৮+ শর্তের চেকবক্সে টিক দিতে হয়। এটা নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয় — এই টিকের মাধ্যমেই আপনি প্ল্যাটফর্মের নিয়ম মেনে নিচ্ছেন এবং জানাচ্ছেন যে আপনার বয়স আঠারোর বেশি। সব ঘর পূরণ হলে Register/Submit বোতামে ক্লিক করুন — ব্যস, আপনার Krikya অ্যাকাউন্ট তৈরি। এবার সরাসরি লবিতে ঢুকে বোনাস সক্রিয় করার পথে এগোতে পারেন।

এখনই সাইন আপ করুন

মোবাইল অ্যাপ থেকে রেজিস্ট্রেশন

অনেকেই ফোন থেকেই সবকিছু সারতে স্বচ্ছন্দ, আর Krikya-র Android অ্যাপ সেই কাজটা আরও মসৃণ করে দেয়। অ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের ধাপগুলো ওয়েবসাইটের সঙ্গে হুবহু এক — একই ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড, দেশ-মুদ্রা, OTP আর প্রোমো কোড। শুধু ইন্টারফেসটা মোবাইলের জন্য পরিপাটি করে সাজানো, বোতামগুলো বড় আর আঙুলের নাগালের মধ্যে।

Android অ্যাপটি Google Play-তে পাওয়া যায় না, যা বাংলাদেশ ও ভারতের গেমিং অ্যাপের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ব্যাপার। বদলে APK ফাইলটি সরাসরি অফিশিয়াল সাইট থেকে ডাউনলোড করতে হয়। ফাইলটি হালকা, তাই ধীর সংযোগেও নামাতে সময় লাগে না। ইনস্টলের সময় ফোনের সেটিংসে “unknown sources” বা “অজানা উৎস থেকে ইনস্টল” অনুমতিটা একবার চালু করে নিতে হতে পারে — এটা যেকোনো সাইড-লোড করা অ্যাপের জন্যই লাগে।

iPhone ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদা নেটিভ অ্যাপ নেই, তবে Safari ব্রাউজারে সাইটটি খুললেই সেটা অ্যাপের মতোই কাজ করে — চাইলে হোম স্ক্রিনে যোগ করে নিতে পারেন। ডাউনলোড, ইনস্টল আর অ্যাপ-বোনাসের বিস্তারিত ধাপ জানতে চাইলে সরাসরি অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করুন — সেখানে স্ক্রিনশটসহ পুরো প্রক্রিয়া দেওয়া আছে।

অনেকে অ্যাপটাকে ওয়েবসাইটের চেয়ে এগিয়ে রাখেন কয়েকটা কারণে। লগইন দ্রুত হয় — একবার ঢুকলে বারবার ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড বসাতে হয় না। লাইভ ক্রিকেট বা প্রিয় ম্যাচের কোনো অফার এলে নোটিফিকেশন সরাসরি ফোনে চলে আসে, ফলে সুযোগ হাতছাড়া হয় না। আর চলার পথে, ভ্রমণে কিংবা যেখানে ল্যাপটপ নেই — সেখানেও পুরো অ্যাকাউন্ট আপনার পকেটেই থাকে। তাই বেশিরভাগ সময় ফোন থেকেই খেলার কথা ভাবলে অ্যাপ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করাটাই স্বাভাবিক পছন্দ।

রেজিস্ট্রেশনের পর কী করবেন (প্রথম ডিপোজিট + বোনাস)

অ্যাকাউন্ট খোলা হলো, কিন্তু আসল মজা শুরু হয় প্রথম ডিপোজিটের পর। এখানে একটা জিনিস পরিষ্কার বুঝে রাখা জরুরি — ওয়েলকাম বোনাস অ্যাকাউন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গে চালু হয় না, প্রথম টাকা জমা দিলে তবেই সক্রিয় হয়।

প্রথম ডিপোজিটের ন্যূনতম পরিমাণ ৳200, দেওয়া যায় bKash, Nagad, Rocket বা Upay — যেকোনো পরিচিত e-wallet দিয়ে। টাকা জমা প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্টে দেখায়, অপেক্ষা করতে হয় না। কোন মাধ্যমে কীভাবে টাকা জমা দেবেন, ধাপে ধাপে জানতে দেখে নিন প্রথম ডিপোজিটের পদ্ধতি

ডিপোজিটের সঙ্গে যে দুটো বোনাস চালু হয়, সেগুলো এক নজরে:

বোনাস কী পাবেন ন্যূনতম ডিপোজিট
স্পোর্টস ওয়েলকাম প্রথম ডিপোজিটের ১০০%, সর্বোচ্চ ৳15,000 পর্যন্ত ৳200
ক্যাসিনো ওয়েলকাম প্রথম ডিপোজিটের ২০০% পর্যন্ত ৳200

কোন বোনাসটা আপনার জন্য মানানসই, তা নির্ভর করে আপনি ক্রিকেট-ফুটবলে বাজি ধরতে চান নাকি স্লট আর লাইভ ক্যাসিনো খেলতে চান তার ওপর। খেয়াল রাখবেন, প্রতিটা বোনাসের সঙ্গে একটা ওয়েজারিং শর্ত থাকে — মানে বোনাসের টাকা তোলার আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ বাজি ধরতে হয়। শর্তগুলো আগে পড়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, যাতে পরে “টাকা তুলতে পারছি না কেন” প্রশ্নে না পড়েন। পূর্ণ শর্ত, ওয়েজারিং আর অন্যান্য নিয়মিত অফার দেখতে রেজিস্ট্রেশনের পর বোনাস পান

প্রথম ডিপোজিটের পাশাপাশি এই সময়টাতেই KYC ভেরিফিকেশনটা সেরে ফেলা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। খেলা শুরু করতে যাচাইয়ের দরকার নেই ঠিকই, কিন্তু প্রথমবার টাকা তুলতে গেলে তা বাধ্যতামূলক, আর যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হতে সাধারণত তিন দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তাই জেতার পর ডকুমেন্টের অপেক্ষায় বসে না থেকে আগেভাগেই NID বা পাসপোর্টের ছবি জমা দিয়ে রাখলে উইথড্রয়ের সময় দেরি হয় না। ন্যূনতম উইথড্রয়ের অঙ্ক ৳500, আর e-wallet-এ টাকা সাধারণত মিনিট দশ-ত্রিশের মধ্যেই হাতে চলে আসে।

সাধারণ রেজিস্ট্রেশন সমস্যা ও সমাধান

সবকিছু ঠিকঠাক চললেও মাঝেমধ্যে ছোটখাটো বাধা আসে। নিচে সবচেয়ে বেশি দেখা সমস্যাগুলো আর তার সমাধান দেওয়া হলো, যাতে আটকে গেলে সাপোর্টের অপেক্ষায় বসে থাকতে না হয়।

OTP আসছে না। এটাই এক নম্বর অভিযোগ। প্রথমে নিশ্চিত হোন নম্বরটা সঠিকভাবে বসানো হয়েছে এবং ফোনে নেটওয়ার্ক আছে। এক মিনিট অপেক্ষা করে “Resend/আবার পাঠান” চাপুন — বারবার নয়, একবার চেপে ধৈর্য ধরুন। কখনও কখনও SMS-এর জায়গায় ইমেইল ভেরিফিকেশনে সরে যাওয়াই দ্রুত সমাধান।

ইউজারনেম গ্রহণ করছে না। মনে রাখবেন সীমা ৬-১৩ অক্ষর। এর বাইরে গেলে, কিংবা নামটা আগে থেকে অন্য কেউ নিয়ে থাকলে, ফর্ম তা নেবে না। শেষে একটা সংখ্যা জুড়ে দিলে সাধারণত সমস্যা মিটে যায়।

“দেশ সমর্থিত নয়” বা পেমেন্ট বসছে না। প্রায় সব ক্ষেত্রেই এর কারণ ভুল দেশ বা মুদ্রা নির্বাচন। ফিরে গিয়ে দেশ Bangladesh আর মুদ্রা BDT ঠিক আছে কিনা মিলিয়ে নিন। VPN চালু থাকলে সেটাও বন্ধ করে দেখুন, কারণ ভুল লোকেশন দেখালে সিস্টেম গুলিয়ে ফেলে।

পাতা আটকে গেছে বা সাবমিট হচ্ছে না। ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার করে, কিংবা অন্য ব্রাউজার বা অ্যাপ থেকে চেষ্টা করুন। ধীর সংযোগে অনেক সময় ফর্ম অর্ধেক লোড হয়ে থেমে থাকে।

আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট আছে মনে হচ্ছে। একজন ব্যক্তির জন্য একটাই অ্যাকাউন্ট অনুমোদিত। আগে খুলে থাকলে কিন্তু ভুলে গিয়ে থাকলে, নতুন করে না খুলে বরং ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্ট থাকলে লগইন করুন — সেখান থেকে পাসওয়ার্ড রিকভারিও করা যায়। একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করলে বোনাস বাতিল বা অ্যাকাউন্ট স্থগিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

প্রোমো কোড বসছে না বা বোনাস দেখাচ্ছে না। কেউ কেউ অভিযোগ করেন কোড দেওয়ার পরও বোনাস চোখে পড়ছে না। প্রথমে মিলিয়ে নিন KRIKYA BD কোডটা হুবহু ঠিকঠাক বসেছে কিনা — বাড়তি স্পেস বা ভুল অক্ষর থাকলে সিস্টেম সেটা গ্রহণ করে না। আর মাথায় রাখুন, ওয়েলকাম বোনাস রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে সঙ্গে চালু হয় না, প্রথম ৳200 ডিপোজিটের পরেই সক্রিয় হয়; তাই টাকা জমা দেওয়ার আগে বোনাস ব্যালেন্সে না দেখালে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। ডিপোজিটের পরেও যদি বোনাস না আসে, ২৪/৭ লাইভ চ্যাটে ইউজারনেম আর ডিপোজিটের রেফারেন্স নম্বর জানিয়ে দিন — এজেন্ট তখনই অ্যাকাউন্ট খুলে দেখে কোথায় আটকেছে তা ধরিয়ে দিতে পারেন।

এসব চেষ্টা করেও সমস্যা না মিটলে ২৪/৭ লাইভ চ্যাট আছেই — বাংলা আর ইংরেজি দুই ভাষাতেই সাহায্য মেলে, আর সাধারণত মিনিট কয়েকের মধ্যেই উত্তর পাওয়া যায়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

রেজিস্ট্রেশনের জন্য কী কী তথ্য প্রয়োজন?

শুরুতে খুব সামান্যই লাগে — একটা ইউজারনেম (৬-১৩ অক্ষর), একটা পাসওয়ার্ড, দেশ হিসেবে Bangladesh, মুদ্রা BDT এবং OTP যাচাইয়ের জন্য একটা সচল মোবাইল নম্বর। কোনো NID বা পাসপোর্ট এই ধাপে জমা দিতে হয় না; সেসব ডকুমেন্ট লাগে পরে, প্রথমবার টাকা তোলার আগে KYC ভেরিফিকেশনের সময়।

প্রোমো কোড ছাড়া কি রেজিস্ট্রেশন করা যায়?

হ্যাঁ, সম্পূর্ণভাবে যায়। প্রোমো কোড KRIKYA BD বসানো ঐচ্ছিক — কোড ছাড়াও অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে এবং খেলা শুরু করা যাবে। তবে ওয়েলকাম বোনাসের যোগ্যতা পেতে চাইলে রেজিস্ট্রেশনের সময়ই কোডটা বসিয়ে দেওয়া ভালো, কারণ অ্যাকাউন্ট তৈরির পর তা যোগ করা সবসময় সহজ হয় না।

একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা কি সম্ভব?

না। Krikya-র নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ব্যক্তির জন্য একটিই অ্যাকাউন্ট অনুমোদিত। একই নাম, নম্বর বা ডিভাইস দিয়ে একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে বোনাস বাতিল বা অ্যাকাউন্ট স্থগিত হতে পারে। পুরনো অ্যাকাউন্টে ঢুকতে না পারলে নতুন খোলার বদলে লগইন পাতা থেকে পাসওয়ার্ড রিকভারি করাই সঠিক পথ।

OTP না পেলে কী করব?

প্রথমে নম্বরটা সঠিক কিনা আর ফোনে নেটওয়ার্ক আছে কিনা দেখুন। এক মিনিট অপেক্ষা করে একবার “আবার পাঠান” চাপুন। তাতেও না এলে SMS-এর বদলে ইমেইল ভেরিফিকেশন বেছে নিন, অথবা ২৪/৭ লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করুন — সাপোর্ট টিম দ্রুত নম্বর যাচাইয়ে সাহায্য করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশনের পর প্রথম বোনাস কীভাবে পাব?

বোনাস পেতে হলে প্রথমে একটা ডিপোজিট করতে হবে — ন্যূনতম ৳200, bKash/Nagad/Rocket/Upay দিয়ে। প্রোমো কোড ঠিকভাবে যুক্ত থাকলে ডিপোজিটের সঙ্গে সঙ্গেই স্পোর্টস ওয়েলকাম (১০০%, সর্বোচ্চ ৳15,000) বা ক্যাসিনো ওয়েলকাম (২০০% পর্যন্ত) সক্রিয় হয়। বোনাসের টাকা তোলার আগে সংশ্লিষ্ট ওয়েজারিং শর্ত পূরণ করতে হয়, তাই অফারের নিয়মগুলো আগে পড়ে নেওয়া ভালো।

রেজিস্টার করে বোনাস নিন
রেজিস্টার করে ৳১৫,০০০ বোনাস নিন